ফিভারার কাজ পাবার অব্যর্থ কিছু টিপস

fiverr gig marketing
Share Button

বর্তমানে ফিভারার হচ্ছে অন্যতম একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস, যেখানে যে কেও তার সার্ভিস কিনতে এবং বিক্রি করতে পারে খুব সহজে।

যে কোন ব্যবহারককারী তার সার্ভিস যার মধ্যে রয়েছে লোগো তৈরী , ওয়েবসাইট তৈরী , সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং , সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাই ইত্যাদি বিক্রি করতে পারে মাত্র $৫ থেকে $৮০ পযন্ত।

আপনারা হইতো অনেকেই ফিভারার মার্কেটপ্লেস এ গিগ তৈরী করছেন কিন্তু কোন অর্ডার পাচ্ছেন না আবার অনেকেই আছেন যারা কাজ পাচ্ছেন কিন্তু খুবই সামান্য, তাদের জন্য আজকের এই লিখাটা ,
আজকে আমরা দেখব কি ভাবে ফিভারার মার্কেটপ্লেস এ গিগ আর বিক্রি বাড়াবেন ?
একটা কথা আছে প্রচার ই প্রসার। এটা আমরা সবাই জানি। এতক্ষণ হইতো আপনারা বুজে গেছেন যে আমি বলতে চাচ্ছি? হা যা ধরেছেন ঠিক তাই। আমি আপনার ফিভারার মার্কেটপ্লেস এ গিগ এর মার্কেটিং কথা বলতেছি।

আমরা ৭ টি পদ্বতি দেখব যেখানে আপনি আপনার গিগ এর মার্কেটিং মার্কেটিং করবেন
১. ব্লগিং : আপনি নিজে ফ্রি একটি ব্লগ তৈরী করেন সেটা হোক wordpress or blogspot এ এবং সেখানে আপনি আপনার গিগ সম্পর্কিত একটি আর্টিকেল লিখুন আর্টিকেল এর নিচে গিয়া আপনার গিগ এর লিংক দিয়া আসতে পারেন।
অথবা আপনি যদি ভালো আর্টিকেল লিখতে পারেন সে ক্ষেত্রে গেস্ট পোস্টিং করতে পারেন যেমন techtunes একটি আর্টিকেল লিখলেন শেষে আপনি আপনার গিগ এর লিংক দিলেন।
বলে রাখা দরকার আপনি যে আর্টিকেল লিখবেন সেটি যেন আরেক জনের উপকার হই সেই ধরনের আর্টিকেল যেমন আপনি গ্রাফিক্স সার্ভিস দেন সে ক্ষেত্রে আপনি লিখতে পারেন, কিভাবে লোগো তৈরিতে কি ধরনের রং ব্যবহার করবেন।
২. সোশ্যাল মিডিয়া : বর্তমানে সবচাইতে বেশি ভিসিটর হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া তে।, তার মধ্যে হচ্ছে facebook, twitter, google plus, pinterest . এগুলোতে আপনি আপনার গিগ এর শর্ট লিংক শেয়ার করতে পারেন।
৩. ফোরাম : গিগ মার্কেটিং এর জন্য সবচাইতে ভালো জায়গা হচ্ছে ফোরাম এ discussion এ অংশগ্রহন করে সেখানে আপনার গিগ এর লিংক দেয়া। তবে স্পামিং করা যাবে না।
৪. ইউটুব চ্যানেল : আপনি আপনার গিগ নিয়া ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট এর একটি ভিডিও তৈরী করতে পারেন যার মধ্যে আপনি দিতে পারেন ১.আপনি কে। ২. আপনার গিগ এর বর্ণনা। ৩.কেন আপনার সার্ভিস টি সবচাইতে ভালো ইত্যাদি। এবার আপনি সেই ভিডিও এর ডেসক্রিপশন গিয়া আপনার গিগ আর লিংক টি দিয়া আসুন।
৫. ব্লগ কমেন্টস : আপনার গিগ সম্পর্কিত ব্লগ এর আর্টিকেল সার্চ করুন এবং সেখানে গিয়া আপনি কমেন্টস করে আপনার গিগ এর লিংক দিয়া আসুন।
৬. সোশ্যাল বুকমার্কিং: সোশ্যাল বুকমার্কিং ওয়েবসাইট গুলোতে আপনার গিগ এর লিংক বুকমার্কিং করে রাখতে পারেন। বুকমার্কিং সাইট এর মধ্যে Digg, StumbleUpon, Raddit, Delicious, shaldotetc.
৭. স্লাইড শেয়ার: এটি একটি ওয়েবসাইট যে খানে আপনি পিডিএফ , স্লাইড , ডকুমেন্ট শেয়ার করতে পারবেন। আপনি আপনার গিগ সম্পর্কিত একটি পাওয়ার পয়েন্ট এ স্লাইড তৈরী করুন এবং সেটা উপরের সব জায়গায় শেয়ার করুন।

এই কাজ গুলো যদি আপনি এক থেকে দেড়মাস চালিয়ে যান আপনার সেল আশা করি দিগুন হবে।
বি: দ্র: এখানে সংক্ষিপ্ত ভাবে একটি মার্কেটিং প্লান দিলাম পরে কখনো সময় পেলে প্রত্যেক টির আলাদা করে বিস্তারিত লিখব।